1. admin@probahomanbangla24.com : admin :
বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বগুড়া ১ আসনের সংসদ সদস্য করোনা পজিটিভ। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক। আজকের খুদে বিজ্ঞানীরাই একদিন বিজ্ঞান প্রযুক্তির উৎকর্ষতার মাধ্যমে দেশকে সমৃদ্ধ করবে—আলী আজম মুকুল এমপি বরিশালে মুজিব শতবার্ষি উপলক্ষে মোবাইল সার্ভিসিং ইলেকট্রনিক এন্ড হাউস ওয়্যারিং ও সেলার সিস্টেম প্রশিক্ষণ এর উদ্বোধন। ভোলায় নব-নির্বাচিত আলীনগর ইউনিয়ন বিএনপি’র কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠিত। আইজিপি কর্তৃক বাস উপহার পেল কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ আগৈলঝাড়ায় ক্ষুদ্র প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ আগৈলঝাড়ায় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি গঠন গৌরনদী উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। নাগরপুরে চলছে স্বাস্থ্য সহকারীদের কর্মবিরতি

রিভিউ

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩৫ বার পঠিত

মজিবুর রহমান মন্জু

পুরোনা লেখা

#মুখোশের_বয়ান_তৃতীয়_পর্ব•••পূর্ববর্তী লেখার ধারাবাহিকতায়••••

বুঝতে পারি তাঁর এই হাসিটা প্রকৃত হাসি নয়। তিনি আমাকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন।
কিছুক্ষণের মধ্যেই হাসি মিলিয়ে গেল, সিরিয়াস মুড নিলেন তিনি।
বলতে শুরু করলেন- চিন্তিত হবার কিছু নেই। পথ যত কঠিন হোক পথ পাওয়া যাবে। বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাংকিং, বীমা, বিকল্প শিক্ষার স্রোতধারা এমনি এমনি একদিনে তৈরী হয়নি। অনেক কন্টকাকীর্ণ পথ ভুল বোঝাবুঝি, ফতোয়া, ব্লেইম গেম মোকাবিলা করে আগাতে হয়েছে। মনকে দৃঢ় রাখ, গায়ের চামড়া আরও শক্ত কর। মিডিয়ার দখল একচ্ছত্রভাবে মিথ্যার কাছে, পঁচা লোকদের হাতে আমরা ছেড়ে দিতে পারিনা।
সিনিয়র এবং এক্সপার্ট আলেমদের নিয়ে একটা কমিটি কর, যারা মিডিয়া সম্পর্কে মতামত দিতে পারেন। তাদের নিয়ে প্রয়োজনে ডে-লং অথবা কয়েকদিন সময় নিয়ে বস। তোমাদের যত খটকা যত আলোচনা সেখানে কর।
কিন্তু মনেরাখবে, এটা এই জমানার কঠিন যুদ্ধ। যুদ্ধ মানে জীবন-মরন, কৌশল, স্বজন হারানো, বিকলাঙ্গ হওয়া, বিশ্বাস ঘাতকতা, নিষ্ঠুরতা, কখনো জয়, কখনো পরাজয়! যুদ্ধের কোন সহজ পথ নেই….!
তাঁর কথাগুলো আমার মাথায় ঢুকেনা, অপলক নেত্রে শুনে যাই, মাথা নেড়ে সায় দেই।
মূলতঃ বিজ্ঞ আলেমদের নিয়ে কমিটি করার সিদ্ধান্ত পেয়ে আমি মহাখুশী।
দেশের শীর্ষ পর্যায়ের জ্ঞানী মেধাবী শ্রদ্ধাভাজন মোট ৭ জন আলেম কে নিয়ে কমিটি করা হয়।
আলোচনার জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয় নির্ধারণ করি আমরা।
মোটাদাগে সেগুলো হলঃ
*আমরা যে কমার্সিয়াল এপ্রোচে টেলিভিশন পরিচালনা করতে চাই এবং চলমান ধারাকে (মেইনস্ট্রিম) অবলম্বন করে সামনে চলার চিন্তা করছি সে ব্যপারে তাদের মতামত জানা।
*নারীদের অনুষ্ঠানমালায় সম্পৃক্ত করা, বিশেষ করে মুখ খোলা রেখে নারী প্রেজেন্টারদের নিউজ পড়ানো।

*সংবাদ প্রচার, অনুষ্ঠান নির্মাণ ও সম্প্রচারের জন্য আমরা যেহেতু বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করতে হবে, সেখানে আমাদের কোন নিয়ন্ত্রণ থাকবেনা। তারা যা বানিয়ে দিবে তাই প্রচার করতে হবে। এ বিষয়ে তাদের মন্তব্য ও মতামত।

*নিউজ এবং অনুষ্ঠানে যে মিউজিক ব্যবহার করা হয় এবং মিউজিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্টের সাথে যে গানের অনুষ্ঠান সে বিষয়ে আমরা কী করবো?

*আমাদের মিডিয়া কর্মী ও নীতি নির্ধারক যারা ইসলামী নীতির ওপর নিজেদের জীবন পরিচালনা করে আসছি এবং সে লক্ষে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তাঁরা এরকম একটি চ্যানেলে কীভাবে কাজ করবো.. ইত্যাদি।

মক্কা, মদীনা, মিশর, মালোয়েশিয়া সহ টপ লেভেলের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর বিষয়ে বিশেষায়িত পড়াশোনা করা আলেমদের এই টীম ছিল অসাধারণ এক কম্বিনেশন। তাদের জ্ঞানগর্ভ বিশ্লেষণ, ডিবেট, রেফারেন্স এবং শরীয়াহ সম্পর্কিত গভীর পান্ডিত্বে আমরা বিমোহিত হয়েছি। ৩ দিন ধরে সকাল-বিকাল আমাদের আলোচনা চলে। এই ডিস্কাশ্সন আমার জীবনের এক অমূল্য সম্পদ। আল্লাহ যদি সাহস আরও বাড়িয়ে দেয় কখনো না কখনো পাবলিক স্পেসে এসব স্মৃতি নিয়ে বিস্তারিত লিখার আশা আছে।
প্রথম দিন আলোচনা শুরু হয় ইসলামের আলোকে একটি টিভি চ্যানেলের নীতিমালা প্রসঙ্গে।
কমিটির একজন সদস্য অত্যান্ত নেতিবাচক মুডে ট্রাডিশনাল ওয়েতে আলোচনার সূত্রপাত করেন। তিনি বলেন আপনারা যে বিষয়গুলোতে আমাদের মতামত চেয়েছেন আমার জানামতে তার কোনটাই সুস্পষ্টভাবে ইসলাম অনুমোদন করেনা। এমনকি মেয়েদের মুখ খোলা রেখে খবর পড়াও না। তিনি পবিত্র ক্বোরআনের সূরা নূর, আহযাব সহ বিভিন্ন অংশ থেকে উদ্ধৃত করে দলিল দেন।
কমিটিতে যিনি সিনিয়র ছিলেন তিনি মজা করে তাঁকে প্রশ্ন করেন ছেলেরা নিজেদের সৌন্দর্য প্রকাশ করে খবর পড়তে পারবে কিনা?
সূরা নূরের গাইড লাইন ব্যখ্যা করে তিনি বলেন নারীর সৌন্দর্য যদি চেহারায় হয় তাহলে পুরুষের সৌন্দর্য কোথায়? তার মেকআপ করা, স্মার্ট চেহারা কী নারী দর্শকদের জন্য দেখা জায়েজ?
সবাই তাঁর কথায় হেসে ওঠে। তিনি বলেন এই আয়াত কে যদি বেসিস ধরি তাহলে সহজ নীতি হলো পুরুষের জন্য আলাদা টিভি আর নারীদের আলাদা টিভি করা। তিনি হাসতে হাসতে বলেন বাসায় বাসায় পাহারা বসাতে হবে কেউ নিজেরটা বাদ দিয়ে অন্যেরটা দেখছে কিনা। আলোচনা বেশ উপভোগ্য হয়ে উঠলো, শুরু হলো দারুন বিতর্ক…….
(অসমাপ্ত•••••চলবে)

(পূণশ্চঃ আমি দূঃখিত যে লেখা অনেক লম্বা হচ্ছে। প্রাসঙ্গিকতাও নেই অনেকক্ষেত্রে। যেহেতু মনটা সত্যি সত্যি একটু খারাপ হয়েছে অনেক কথা লিখতে চাই। আবেগের কারণে মাত্রাজ্ঞান ও পরিশীলতা ক্ষুন্ন হলে আমাকে নিঃশর্তে ক্ষমা করবেন। কয়েক লাইন লিখে চোখ আর বুকে জমা কষ্ট বাস্পায়িত হচ্ছে। তবুও লিখবো যদি আপনারা ধৈর্য ধরে কষ্ট করে পড়েন )

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© probahomanbangla.com © 2020
কারিগরি সহযোগিতায়: মোস্তাকিম জনি